বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিতে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কার্যক্রমের নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
এই নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ ২০২৬) সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় উপবৃত্তির পরিমাণ, প্রাপ্তির শর্ত, উপস্থিতি, ফলাফল এবং অর্থ বিতরণের নিয়মাবলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই-সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় (এসকেটি)–এ অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এই উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় আসবে।
এর ফলে প্রাক্–প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সরকারি সহায়তা পাবে।
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, ঝরে পড়া কমানো এবং দরিদ্র পরিবারগুলোকে শিক্ষাব্যয় সামাল দিতে সহায়তা করা।
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কী
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ হলো সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে উৎসাহ দেওয়া হয়।
এই উপবৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।
উপবৃত্তির অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রী কিনতে পারে। যেমন-
- স্কুল ব্যাগ
- ছাতা
- স্কুল ড্রেস
- জুতা
- টিফিন বক্স
- অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ
এই কার্যক্রম পরিচালিত হয় সরকারের জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী।
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬: কোন শ্রেণিতে কত টাকা
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা শ্রেণিভেদে মাসিক নির্দিষ্ট হারে উপবৃত্তি পাবে।
প্রাক্–প্রাথমিক শ্রেণি
প্রাক্–প্রাথমিক শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থী প্রতি মাসে ৭৫ টাকা করে উপবৃত্তি পাবে।
প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি
১ম থেকে ৫ম শ্রেণির ক্ষেত্রে উপবৃত্তির পরিমাণ পরিবারের শিক্ষার্থীর সংখ্যার ওপর নির্ভর করবে।
- পরিবারের ১ জন শিক্ষার্থী হলে মাসে ১৫০ টাকা
- পরিবারের ২ জন শিক্ষার্থী হলে মাসে ৩০০ টাকা
ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি
যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি চালু রয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি উপবৃত্তি পাবে।
- পরিবারের ১ জন শিক্ষার্থী হলে মাসে ২০০ টাকা
- পরিবারের ২ জন শিক্ষার্থী হলে মাসে ৪০০ টাকা
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- একটি পরিবারের সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষার্থী এই উপবৃত্তির সুবিধা পাবে।
সরকার প্রয়োজনে ভবিষ্যতে উপবৃত্তির পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
উপবৃত্তি পাওয়ার শর্ত
উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। নির্দেশিকায় এই শর্তগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১️। বয়সের শর্ত
- প্রাক্–প্রাথমিক শ্রেণির জন্য শিক্ষার্থীর ন্যূনতম বয়স ৪ বছর হতে হবে।
২️। উপস্থিতির শর্ত
সব শ্রেণির শিক্ষার্থীর জন্য প্রতি মাসে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ পাঠদিবসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।
৩️। ফলাফলের শর্ত
- দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পূর্ববর্তী শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
৪️। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নম্বরের শর্ত কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।
তাদের জন্য প্রতি বিষয়ে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেলেই উপবৃত্তি পাওয়ার যোগ্যতা থাকবে।
৫️। নতুন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে
নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার ছাড়পত্রে পূর্ববর্তী পরীক্ষার নম্বর উল্লেখ থাকতে হবে।
উপবৃত্তি পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
উপবৃত্তি কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ
- জন্মনিবন্ধন বাংলা ও প্রয়োজনে ইংরেজিতে থাকতে হবে
- অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
- অভিভাবকের নামে খোলা সক্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাকাউন্ট
এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই উপবৃত্তির টাকা সরাসরি প্রদান করা হবে।
যেসব কারণে উপবৃত্তি বন্ধ হতে পারে (প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি)
নির্দেশিকায় কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থী সাময়িকভাবে উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
প্রধান কারণগুলো হলো
১। বার্ষিক পরীক্ষায় নির্ধারিত নম্বর না পাওয়া
২। ধারাবাহিকভাবে তিন মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা
৩। কোনো মাসে ৮০% উপস্থিতির শর্ত পূরণ না করা
যদি কোনো শিক্ষার্থী এই শর্ত ভঙ্গ করে, তবে সেই মাসের জন্য তার উপবৃত্তি দেওয়া হবে না।
তবে পরবর্তী মাসে শর্ত পূরণ করলে আবার উপবৃত্তি পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
উপস্থিতি নির্ধারণে কারা সিদ্ধান্ত নেবেন (প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি )
শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং অনুপস্থিতির যৌক্তিকতা নির্ধারণ করবেন-
- সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
- উপজেলা বা থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
যদি শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতির যথাযথ কারণ থাকে, তাহলে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবেন।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য উপস্থিতির নিয়মে কিছুটা নমনীয়তা রাখা হয়েছে।
যদি কোনো শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ৮০ শতাংশের কম হয়, কিন্তু তা যৌক্তিক কারণে হয়ে থাকে, তাহলে—
- প্রধান শিক্ষক
- সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
তাদের অনুমোদনে উপস্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া যাবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থ(প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬)
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি সাধারণ ঘটনা। এজন্য নির্দেশিকায় দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
যদি কোনো এলাকায়-
- বন্যা
- ঘূর্ণিঝড়
- ভারী বর্ষণ
- অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ
এর কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকে, তাহলে সেই সময়ের উপস্থিতি কম হলেও উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের অনুমোদনক্রমে উপবৃত্তি প্রদান করা যাবে।
জুন মাসের উপবৃত্তি বিতরণের বিশেষ নিয়ম (প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬)
জুন মাসে উপবৃত্তি বিতরণের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম রাখা হয়েছে।
নির্দেশিকা অনুযায়ী, জুন মাসের উপবৃত্তি ১০ জুন পর্যন্ত পাঠদিবসের উপস্থিতি বিবেচনা করে বিতরণ করা যাবে।
এর ফলে সময়মতো শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা সহজ হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির লক্ষ্য (প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬)
এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার মূলত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন করতে চায়-
- প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়া কমানো
- দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া
- শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা
- প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন করা
বাংলাদেশে শিক্ষার বিস্তার এবং শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখতে এই উপবৃত্তি কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ এর সারসংক্ষেপ
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রাক্–প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মাসিক আর্থিক সহায়তা পাবে।
তবে এই সুবিধা পেতে হলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, নির্ধারিত ফলাফল এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিশ্চিত করতে হবে।
সংক্ষেপে-
- প্রাক্–প্রাথমিক: ৭৫ টাকা
- ১ম–৫ম শ্রেণি: ১৫০–৩০০ টাকা
- ৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি: ২০০–৪০০ টাকা
একটি পরিবারের সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষার্থী এই উপবৃত্তি পাবে।
এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা চালিয়ে যেতে সহায়তা করবে এবং দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কী?
প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ হলো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারের একটি আর্থিক সহায়তা
কর্মসূচি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দরিদ্র পরিবারের শিক্ষা
ব্যয় কমাতে সহায়তা করা হয়। এই কার্যক্রম পরিচালনা করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
উপবৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।
২. প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কারা পাবে?
শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পাবে।
প্রাক্–প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এই সুবিধার আওতায় থাকবে। তবে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষার্থী এই উপবৃত্তি পেতে পারে।
৩. শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ কত টাকা দেওয়া হবে?
নির্দেশিকা অনুযায়ী উপবৃত্তি ২০২৬–এ শ্রেণিভেদে উপবৃত্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাক্–প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা মাসে ৭৫ টাকা পাবে।
প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে পরিবারের একজন শিক্ষার্থী হলে মাসে ১৫০ টাকা এবং দুইজন হলে ৩০০ টাকা দেওয়া হবে।
ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী হলে মাসে ২০০ টাকা এবং দুইজন হলে ৪০০ টাকা দেওয়া হবে।
৪. প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ পাওয়ার শর্ত কী?
উপবৃত্তি ২০২৬ পেতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রতি মাসে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ পাঠদিবসে উপস্থিত থাকতে হবে।
দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ থাকতে হবে এবং অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে নিবন্ধিত একটি সক্রিয় MFS অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
৫. প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ বন্ধ হওয়ার কারণ কী?
কোনো শিক্ষার্থী যদি ধারাবাহিকভাবে তিন মাস বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকে বা নির্ধারিত পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় নম্বর না পায়, তাহলে শিক্ষা উপবৃত্তি ২০২৬ সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। তবে পরবর্তীতে শর্ত পূরণ করলে শিক্ষার্থী আবার উপবৃত্তি পাওয়ার যোগ্য হতে পারে।

নাইয়ার আযম একজন নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। তিনি মজিদা খাতুন মহিলা কলেজ,রংপুর এ কর্মরত আছেন এবং Studentbarta.com-ওয়েব সাইডের সম্পাদক। তিনি শিক্ষা ও অনলাইন শিক্ষার প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী এবং নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার মতো চিন্তাশীল লেখা প্রকাশ করেন। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় ক্যান্ট পাবলিক স্কুল থেকে এবং পরবর্তীতে তিনি কারমাইকেল কলেজ, রংপুর-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। বর্তমানে রংপুর সিটি-তে বসবাসরত নাইয়ার আযম সবসময় শিক্ষা, অনলাইন লার্নিং এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আগ্রহী। পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞানকে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন এবং আধুনিক শিক্ষার সুযোগ প্রসারে তিনি বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।