সঞ্চয় থাকলেও টাকার ভয় কাটে না কেন ?
জেনে নিন ‘ব্যাগ লেডি সিনড্রোম’ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা আছে, নিয়মিত আয়ও হচ্ছে, কিছু সঞ্চয় ও বিনিয়োগও করা হয়েছে।
তবু হঠাৎ মনে হতে পারে-চাকরি যদি চলে যায়? বড় কোনো বিপদ এলে সব টাকা শেষ হয়ে যাবে না তো?
ভবিষ্যতে যদি হাতে কিছুই না থাকে? বাস্তবে আর্থিক অবস্থা মোটামুটি নিরাপদ হলেও এমন ভয় অনেকের মধ্যেই কাজ করে।
সঞ্চয় থাকলেও টাকার
অর্থাৎ, সঞ্চয় থাকলেও টাকার ভয় কাটে না-এমন অভিজ্ঞতা অস্বাভাবিক নয়।
অনেক সময় সমস্যাটি শুধু টাকার পরিমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে না।
বরং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, অতীতের আর্থিক অভিজ্ঞতা এবং নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি এই উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই ধরনের ভবিষ্যৎ আর্থিক অনিশ্চয়তা নিয়ে অতিরিক্ত ভয়কে সাধারণভাবে আর্থিক উদ্বেগ বা Financial Anxiety বলা হয়।
একই ধরনের ভয় বোঝাতে জনপ্রিয় আলোচনায় ‘ব্যাগ লেডি সিনড্রোম’ শব্দটিও ব্যবহার করা হয়।
‘ব্যাগ লেডি সিনড্রোম’ কী?।সঞ্চয় থাকলেও টাকার
‘ব্যাগ লেডি সিনড্রোম’ মূলত চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনো আনুষ্ঠানিক রোগের নাম নয়।
এটি এমন এক ধরনের মানসিক ভয় বা উদ্বেগকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে একজন ব্যক্তি ভবিষ্যতে আর্থিকভাবে নিঃস্ব বা অসহায় হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সব সময় চিন্তিত থাকেন।
হাতে যথেষ্ট টাকা থাকার পরও মনে হতে পারে-
- আরও বেশি টাকা জমাতে হবে।
- বর্তমান সঞ্চয় যথেষ্ট নয়।
- যেকোনো সময় বড় বিপদ ঘটতে পারে।
- চাকরি বা আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- অবসরের সময় টাকা শেষ হয়ে যেতে পারে।
- আজ খরচ করলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে হবে।
ফলে মানুষ কখনো কখনো প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত সঞ্চয় করতে থাকেন, কিন্তু সেই সঞ্চয় থাকা সত্ত্বেও নিরাপদ অনুভব করেন না।
সঞ্চয় থাকলেও টাকার ভয় কাটে না কেন।
এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। শুধু ব্যাংক ব্যালান্স বাড়লেই যে মানুষের নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়বে, বিষয়টি সব সময় এমন নয়।
১. ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা
ভবিষ্যতে কী ঘটবে, তা কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না।
চাকরি হারানো, ব্যবসায় ক্ষতি, মূল্যস্ফীতি, পারিবারিক জরুরি খরচ বা অন্য কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মানুষের মনে ভয় তৈরি করতে পারে।
তখন অনেকের মনে হয়, বর্তমানে যত টাকা আছে, তা হয়তো ভবিষ্যতের জন্য যথেষ্ট নয়।
এই চিন্তা থেকেই বারবার আরও সঞ্চয়ের প্রয়োজন অনুভূত হতে পারে।
২. ছোটবেলার আর্থিক অভিজ্ঞতা
শৈশবে পরিবারে অর্থকষ্ট দেখে বড় হলে টাকার প্রতি মানুষের মানসিক সম্পর্ক ভিন্ন হতে পারে।
ছোটবেলায় যদি প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য অপেক্ষা করতে হয় বা পরিবারকে আর্থিক সংকটে পড়তে দেখা যায়, তাহলে পরবর্তী জীবনে টাকা নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।
ফলে প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে পর্যাপ্ত সঞ্চয় থাকার পরও মনের ভেতরে পুরোনো ভয় থেকে যেতে পারে-যদি আবার সেই পরিস্থিতি ফিরে আসে?
৩. অতীতের খারাপ অভিজ্ঞতা
চাকরি হারানো, ব্যবসায় বড় ক্ষতি, পারিবারিক আর্থিক সংকট বা অন্য কোনো কঠিন অভিজ্ঞতা মানুষের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।
একবার আর্থিক বিপদে পড়ার অভিজ্ঞতা থাকলে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা এড়াতে মানুষ অতিরিক্ত সতর্ক হয়ে যেতে পারেন।
তখন সঞ্চয় থাকলেও মনে হতে পারে, আরও বেশি টাকা না থাকলে নিরাপদ থাকা সম্ভব নয়।
৪. মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়
বর্তমান সময়ে জীবনযাত্রার খরচ দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
বাসা ভাড়া, শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয়ের বৃদ্ধি ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
আজ যে পরিমাণ টাকা যথেষ্ট মনে হচ্ছে, কয়েক বছর পর সেটির মূল্য কমে যেতে পারে-এই আশঙ্কাও মানুষের মধ্যে আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা বাড়াতে পারে।
৫. সব দায়িত্ব একা বহন করার চাপ
পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ব্যক্তি হলে দায়িত্বের চাপ আরও বেশি অনুভূত হতে পারে।
নিজের পাশাপাশি সন্তান, বাবা-মা বা পরিবারের অন্য সদস্যদের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তা করতে হয়।
তখন নিজের সঞ্চয়কে শুধু নিজের জন্য নয়, পুরো পরিবারের নিরাপত্তা হিসেবে দেখা হয়।
ফলে টাকা থাকলেও ভয় পুরোপুরি দূর হয় না।
টাকা হারানোর ভয় ও টাকা কম থাকার ভয় এক নয়
অনেক সময় আমরা মনে করি, যাদের টাকা কম তারাই শুধু অর্থ নিয়ে চিন্তা করেন।
কিন্তু বাস্তবে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা সত্ত্বেও টাকা হারানোর ভয় তৈরি হতে পারে।
টাকা কম থাকার ভয় হলো বর্তমান প্রয়োজন মেটানোর জন্য পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার দুশ্চিন্তা।
অন্যদিকে টাকা হারানোর ভয় হলো বর্তমানে অর্থ থাকলেও ভবিষ্যতে সেটি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা।
এই দুই ধরনের অনুভূতি এক নয়।
কারও ব্যাংকে ভালো পরিমাণ সঞ্চয় থাকতে পারে, কিন্তু তারপরও তিনি প্রতিটি খরচের আগে ভাবতে পারেন-এই টাকা খরচ করলে ভবিষ্যতে সমস্যা হবে না তো?
কখন এই ভয় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে?। সঞ্চয় থাকলেও টাকার
সঞ্চয় করা অবশ্যই ভালো অভ্যাস।
ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করাও প্রয়োজনীয়।
তবে ভয় যখন দৈনন্দিন জীবন ও সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন বিষয়টির দিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
যেমন-
- জরুরি তহবিল যথেষ্ট হওয়ার পরও অস্বাভাবিকভাবে শুধু টাকা জমিয়ে যাওয়া।
- প্রয়োজনীয় কিছু কিনলেও অপরাধবোধে ভোগা।
- সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সব ধরনের বিনিয়োগ এড়িয়ে চলা।
- বারবার ব্যাংক ব্যালান্স পরীক্ষা করা।
- ছোট খরচ নিয়েও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা।
- টাকা নিয়ে চিন্তার কারণে স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করতে না পারা।
এসব আচরণ দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে আর্থিক উদ্বেগ মানসিক স্বস্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
কীভাবে আর্থিক ভয় কমানো যায়?। সঞ্চয় থাকলেও টাকার
নিজের আর্থিক অবস্থার বাস্তব হিসাব করুন
ভয় কমানোর প্রথম ধাপ হতে পারে নিজের আর্থিক অবস্থার পরিষ্কার চিত্র জানা।
মাসে কত টাকা আয় হচ্ছে, কত খরচ হচ্ছে, কত টাকা সঞ্চয় আছে এবং কোথায় বিনিয়োগ করা হয়েছে-এসব তথ্য লিখে রাখুন।
অনেক সময় অস্পষ্টতার কারণেই ভয় বেশি হয়।
বাস্তব হিসাব সামনে থাকলে পরিস্থিতি বোঝা সহজ হয়।
জরুরি তহবিল তৈরি করুন
অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির জন্য আলাদা জরুরি তহবিল রাখা যেতে পারে।
এতে চাকরি বা আয়ের ক্ষেত্রে সাময়িক সমস্যা হলেও নির্দিষ্ট সময়ের প্রয়োজনীয় খরচ চালানোর একটি পরিকল্পনা থাকে।
জরুরি তহবিলের পরিমাণ ব্যক্তির আয়, খরচ, পরিবার ও দায়িত্বের ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা উচিত।
সঞ্চয়ের নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন । সঞ্চয় থাকলেও টাকার
শুধু ‘আরও টাকা জমাতে হবে’-এমন অস্পষ্ট লক্ষ্য উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করুন।
যেমন-
- জরুরি তহবিলের লক্ষ্য
- সন্তানের শিক্ষার জন্য সঞ্চয়
- বাড়ি বা অন্য বড় লক্ষ্যের জন্য সঞ্চয়
- অবসর পরিকল্পনা
- স্বল্পমেয়াদি প্রয়োজনের জন্য আলাদা অর্থ
লক্ষ্য নির্দিষ্ট থাকলে বোঝা সহজ হয় কখন একটি পরিকল্পনা যথেষ্ট পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সঞ্চয় ও বর্তমান জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখুন
ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমাতে গিয়ে বর্তমান জীবনকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
সামর্থ্যের মধ্যে ভ্রমণ, পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা পছন্দের কোনো কাজে টাকা খরচ করা সব সময় অপচয় নয়। বাজেটের মধ্যে পরিকল্পিত খরচও আর্থিক ব্যবস্থাপনার অংশ।
নিজেকে সব সময় শুধু ভবিষ্যতের জন্য বাঁচাতে থাকলে সঞ্চয় বাড়তে পারে, কিন্তু মানসিক স্বস্তি নাও বাড়তে পারে।
ভয়কে তথ্য দিয়ে যাচাই করুন
যখন মনে হবে, ‘সব টাকা শেষ হয়ে যাবে’, তখন নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন-
আমার বর্তমান সঞ্চয় কত?
মাসিক প্রয়োজনীয় খরচ কত?
জরুরি পরিস্থিতিতে কত দিন চলতে পারব?
আমার বিকল্প আয়ের কোনো সুযোগ আছে কি?
বাস্তব কোনো ঝুঁকি আছে, নাকি আমি শুধু সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি কল্পনা করছি?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে দেখলে অনেক সময় বাস্তব পরিস্থিতি এবং মনের ভয়-দুটির মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায়।
পরিবার ও সঙ্গীর সঙ্গে আর্থিক বিষয়ে কথা বলুন
সংসারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা একজনের একার দায়িত্ব হওয়া উচিত নয়।
কোথায় কত সঞ্চয় আছে, কী ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে, মাসিক ব্যয় কত এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা কী-এসব বিষয়ে পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মধ্যে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।
তবে ব্যক্তিগত ব্যাংকিং নিরাপত্তা ও অনলাইন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড সরাসরি ভাগাভাগি করার পরিবর্তে নিরাপদ পদ্ধতিতে জরুরি তথ্য সংরক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত ব্যবস্থা রাখা ভালো।
আর্থিক বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা থাকলে একজন মানুষের ওপর সব দায়িত্বের মানসিক চাপ কিছুটা কমতে পারে।
কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া দরকার?।সঞ্চয় থাকলেও টাকার
যদি টাকা নিয়ে উদ্বেগ এতটাই বেড়ে যায় যে ঘুম, পড়াশোনা, কাজ বা দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে বিশ্বস্ত অভিভাবক বা পরিবারের দায়িত্বশীল সদস্যের সঙ্গে কথা বলা যেতে পারে।
প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবী বা উপযুক্ত আর্থিক পরামর্শকের সাহায্য নেওয়াও উপকারী হতে পারে।
একইভাবে বিনিয়োগ বা বড় আর্থিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আবেগের পরিবর্তে নিজের পরিস্থিতি বুঝে যোগ্য ও নির্ভরযোগ্য পেশাদারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
শেষ কথা।সঞ্চয় থাকলেও টাকার
সঞ্চয় থাকলেও টাকার ভয় কাটে না-এর অর্থ এই নয় যে আপনার কাছে যথেষ্ট টাকা নেই।
অনেক সময় এটি ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা, অতীতের অভিজ্ঞতা এবং নিরাপত্তার অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
সঞ্চয় করা গুরুত্বপূর্ণ, বিনিয়োগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও প্রয়োজনীয়।
কিন্তু আর্থিক নিরাপত্তার প্রকৃত অর্থ শুধু ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা থাকা নয়।
বরং নিজের অবস্থার বাস্তব হিসাব জানা, সম্ভাব্য ঝুঁকির জন্য প্রস্তুতি রাখা এবং প্রয়োজনের সময় সেই পরিকল্পনার ওপর আস্থা রাখতে পারাও গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা করুন, তবে বর্তমান জীবনকেও পুরোপুরি ভয় দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে দেবেন না।
কারণ নিরাপত্তা তখনই অর্থবহ, যখন সেটি শুধু ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা কমায় না, বর্তমানের জীবনেও কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।
সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
প্রতিবেদকঃ কুলসুম আকতার শিমু
আরও পড়ুনঃ

নাইয়ার আযম একজন নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। তিনি মজিদা খাতুন মহিলা কলেজ,রংপুর এ কর্মরত আছেন এবং studentbarta.com-ওয়েব সাইডের সম্পাদক। তিনি শিক্ষা ও অনলাইন শিক্ষার প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী এবং নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার মতো চিন্তাশীল লেখা প্রকাশ করেন। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় ক্যান্ট পাবলিক স্কুল থেকে এবং পরবর্তীতে তিনি কারমাইকেল কলেজ, রংপুর-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। বর্তমানে রংপুর সিটি-তে বসবাসরত নাইয়ার আযম সবসময় শিক্ষা, অনলাইন লার্নিং এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আগ্রহী। পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞানকে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন এবং আধুনিক শিক্ষার সুযোগ প্রসারে তিনি বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।