ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা, দেশজুড়ে প্রতিবাদ

সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব ঘিরে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন নিয়োগ বিধিমালায় লিখিত পরীক্ষার তুলনায় মৌখিক পরীক্ষার গুরুত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

তাঁদের আশঙ্কা, ভাইভায় বেশি নম্বর থাকলে নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফলে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের সুযোগ বাড়তে পারে।

ইতোমধ্যে দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ প্রস্তাবের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে।

চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশের দাবি, সরকারি চাকরির নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

কারণ লিখিত পরীক্ষা তুলনামূলকভাবে কাঠামোবদ্ধ ও যাচাইযোগ্য।

অন্যদিকে মৌখিক পরীক্ষায় পরীক্ষকের ব্যক্তিগত মূল্যায়নের প্রভাব পড়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে বিতর্কের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভাইভার নম্বর বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগ পদ্ধতিতে যে ভিন্নতা রয়েছে, তা কমিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব কেন আলোচনায়?

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত খসড়া বিধিমালায় ১১ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষার নম্বর বণ্টনে পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

গ্রেডভেদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য আলাদা নম্বর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

প্রস্তাবিত একটি কাঠামো অনুযায়ী, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে মোট ১৫০ নম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ১০০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৫০ নম্বর রাখা হতে পারে।

লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিষয় বা সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের ক্ষেত্রে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় ৬০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৪০ নম্বর রাখার প্রস্তাব রয়েছে।

১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক-দুই পরীক্ষায় ২৫ নম্বর করে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই নম্বর বণ্টনের কারণেই ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কেন ভাইভার নম্বর এ আপত্তি চাকরিপ্রার্থীদের?

চাকরিপ্রার্থীদের মূল আপত্তি ভাইভার নম্বরের পরিমাণ নিয়ে।

তাঁদের যুক্তি, লিখিত পরীক্ষায় উত্তরপত্র নির্দিষ্ট নিয়মে মূল্যায়ন করা হয়। ফলে কে কত নম্বর পেয়েছেন, তা তুলনামূলকভাবে সহজে যাচাই করা সম্ভব।

কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভিন্ন।

একজন প্রার্থীর উত্তর, উপস্থাপন, আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ দক্ষতা ও সামগ্রিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষক নম্বর দেন।

ফলে এখানে ব্যক্তিগত মূল্যায়নের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।

চাকরিপ্রার্থীদের আশঙ্কা, লিখিত পরীক্ষায় দুই প্রার্থীর নম্বরের ব্যবধান যদি সামান্য হয়, তাহলে ভাইভায় কয়েক নম্বরের পার্থক্যই চূড়ান্ত ফলাফল বদলে দিতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে, একজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অন্য প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভাইভায় কম নম্বর পেলে তিনি মেধাতালিকায় পিছিয়ে যেতে পারেন।

আবার লিখিত পরীক্ষায় তুলনামূলক কম নম্বর পাওয়া কোনো প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় বেশি নম্বর পেলে চূড়ান্ত নিয়োগে এগিয়ে যেতে পারেন।

এ কারণেই নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের আশঙ্কা ভাইভার নম্বর

ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের আশঙ্কা।

চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ মনে করছেন, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বেশি হলে পরীক্ষকদের হাতে চূড়ান্ত ফলাফলে প্রভাব বিস্তারের সুযোগও বাড়বে।

বিশেষ করে লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের নম্বর কাছাকাছি থাকলে ভাইভার নম্বরই নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

তবে এখানে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ-মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বেশি হলেই অনিয়ম হবেই, এমনটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।

বরং মূল প্রশ্ন হলো, ভাইভায় নম্বর দেওয়ার পদ্ধতি কতটা স্বচ্ছ, নির্দিষ্ট ও জবাবদিহিমূলক করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ তাই মনে করেন, ভাইভার নম্বর রাখা হলে তার জন্য সুস্পষ্ট মূল্যায়ন কাঠামো থাকা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে পরীক্ষকদের জবাবদিহি এবং মূল্যায়নের রেকর্ড সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।

দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

প্রস্তাবিত বিধিমালার বিষয়টি সামনে আসার পর দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ শুরু হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়,

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশ বিক্ষোভ করেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসুর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়েও সাধারণ শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন।

শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন কোনো পরিবর্তন আনা উচিত নয়, যাতে মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুপারিশ বা প্রভাবের সুযোগ তৈরি হয়।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে।

চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ কী?

চাকরিপ্রার্থীদের একটি অংশ বলছেন, সরকারি চাকরির প্রতিযোগিতা এমনিতেই অত্যন্ত কঠিন।

লাখ লাখ প্রার্থী সীমিত সংখ্যক পদের জন্য পরীক্ষায় অংশ নেন। সেখানে নিয়োগের প্রতিটি ধাপ যত বেশি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে, প্রার্থীদের আস্থাও তত বাড়বে।

তাঁদের মতে, লিখিত পরীক্ষার নম্বরের গুরুত্ব কমিয়ে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে প্রার্থীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

একাধিক চাকরিপ্রার্থী উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, লিখিত পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও যদি ভাইভায় বেশি নম্বরের পার্থক্য তৈরি হয়, তাহলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ- ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব

মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও মতভেদ রয়েছে।

সমালোচকদের বক্তব্য, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীর জ্ঞান ও যোগ্যতা যাচাইয়ের পর ভাইভায় তুলনামূলক কম নম্বর রাখা যেতে পারে।

তাঁদের আশঙ্কা, ভাইভার নম্বরের ওজন বেশি হলে নিয়োগ কমিটির মূল্যায়ন চূড়ান্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষের যুক্তি হলো, শুধু লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে একজন প্রার্থীর সব ধরনের যোগ্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়।

কর্মক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা, উপস্থিত বুদ্ধি, আচরণ, বিষয়ভিত্তিক ধারণা ও পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ।

এসব বিষয় মূল্যায়নে মৌখিক পরীক্ষা ভূমিকা রাখতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়

বর্তমান নিয়োগব্যবস্থায় কী আছে?

বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর এক নয়।

কিছু নিয়োগ বিধিমালায় লিখিত পরীক্ষায় ৭০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের কাঠামো রয়েছে।

আবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের বিভিন্ন ক্যাডার-বহির্ভূত পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের বণ্টন ভিন্ন হতে পারে।

অর্থাৎ সরকারি চাকরির বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামোতে বর্তমানে বৈচিত্র্য রয়েছে।

প্রস্তাবিত বিধিমালার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগ পদ্ধতিকে একটি অভিন্ন কাঠামোর মধ্যে আনা।

খসড়া বিধিমালায় আরও যে পরিবর্তন রয়েছে

প্রস্তাবিত বিধিমালায় শুধু লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর নয়, ব্যবহারিক পরীক্ষার বিষয়েও নির্দেশনা রয়েছে।

কোনো পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্যবহারিক পরীক্ষা নির্ধারিত থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ব্যবহারিক পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হবে।

তবে শৃঙ্খলা বাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ব্যাটালিয়ন আনসার, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, র‍্যাবসহ নির্দিষ্ট বাহিনী

এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের আওতাধীন পদে এই বিধিমালা প্রযোজ্য হবে না বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারের বক্তব্য কী?

বিতর্কের মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে রূপ নেয়নি।

সরকারের বক্তব্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষার নিয়মে বিদ্যমান পার্থক্য দূর করে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো তৈরির লক্ষ্যেই বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সরকারের দৃষ্টিতে, দক্ষ ও যোগ্য জনবল নিয়োগের জন্য শুধু লিখিত জ্ঞান নয়, একজন প্রার্থীর অন্যান্য যোগ্যতাও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

তবে প্রস্তাবিত কাঠামো নিয়ে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের উদ্বেগও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার দাবি উঠেছে।

কীভাবে আরও স্বচ্ছ করা যেতে পারে ভাইভা?

বিশেষজ্ঞদের আলোচনায় একটি বিষয় স্পষ্ট-মৌখিক পরীক্ষা রাখা হলে সেটিকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে-

  • ভাইভায় নম্বর দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মূল্যায়ন সূচক নির্ধারণ।
  • প্রতিটি প্রশ্ন বা মূল্যায়ন ক্ষেত্রের জন্য নম্বরের কাঠামো নির্ধারণ।
  • একাধিক পরীক্ষকের সমন্বয়ে বোর্ড গঠন।
  • ভাইভা বোর্ডের মূল্যায়নের যথাযথ রেকর্ড সংরক্ষণ।
  • প্রয়োজন হলে ফলাফল যাচাইয়ের সুযোগ রাখা।
  • লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের মধ্যে যুক্তিসংগত ভারসাম্য বজায় রাখা।
  • নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

এগুলো কার্যকরভাবে করা গেলে মৌখিক পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও অনিয়মের আশঙ্কা অনেকটাই কমানো সম্ভব হতে পারে।

শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কী হবে? ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব

ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি।

একদিকে সরকার বলছে, বিষয়টি পর্যালোচনাধীন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে চাকরিপ্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা আগেই তাঁদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রতিবাদ করছেন।

মূল প্রশ্ন এখন একটাই-সরকারি চাকরির নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার গুরুত্ব কতটা থাকবে এবং সেই পরীক্ষায় নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধা, যোগ্যতা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

তাই নতুন বিধিমালা চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে এমন একটি কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন,

যাতে একদিকে যোগ্য প্রার্থীর প্রকৃত দক্ষতা যাচাই হয়, অন্যদিকে নিয়োগ নিয়ে অনিয়ম বা বৈষম্যের কোনো সুযোগ না থাকে।

সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং প্রস্তাবিত বিধিমালার পরবর্তী পরিবর্তনের দিকেই এখন নজর চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের।

আরও পড়ুনঃ

সম্পাদক-মোঃ নাইয়ার আযম