শরীফ ওসমান বিন হাদি সমসাময়িক সময়ের এক আলোচিত তরুণ নেতৃত্বের নাম, যিনি ইনকিলাব মঞ্চ–এর
মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ধীরে ধীরে পরিচিতি লাভ করেন। তার উত্থান হঠাৎ বা আকস্মিক নয়; বরং
এটি সময়ের সঙ্গে গড়ে ওঠা চিন্তা, অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতার ফল। একটি সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি
ছোটবেলা থেকেই সমাজ, মানুষ এবং ন্যায়ের প্রশ্নে কৌতূহলী ছিলেন। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে দেখা দেওয়া
সীমাবদ্ধতা, বৈষম্য ও সামাজিক অসঙ্গতি তাকে ভাবতে শিখিয়েছে-কেন পরিবর্তন দরকার এবং সেই পরিবর্তনে
তরুণদের ভূমিকা কী হতে পারে। ফলে তার জীবন কাহিনী শুধু রাজনীতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি
একজন সাধারণ মানুষের চিন্তার বিকাশ, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করা এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পথে
এগিয়ে যাওয়ার বাস্তব গল্প।
শরীফ ওসমান বিন হাদির শৈশব ও পারিবারিক জীবন
শরীফ ওসমান বিন হাদি একজন সাধারণ মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন, যেখানে শৃঙ্খলা, ন্যায়পরায়ণতা ও
নৈতিক মূল্যবোধকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হতো। তার পরিবার ছিল সুশৃঙ্খল ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে গড়ে উঠা,
যেখানে সন্তানদের জন্য সততা, দায়িত্বশীলতা এবং মানবিক আচরণকে প্রথম শিক্ষার মতো গ্রহণ করা হতো।
ছোটবেলা থেকেই শরীফ ছিলেন অত্যন্ত জ্ঞানপ্রেমী ও কৌতূহলী; তিনি বইপড়া, নতুন কিছু শেখা এবং চারপাশের
সমাজ ও মানুষের আচরণ বোঝার প্রতি উৎসাহী ছিলেন।
পরিবার তার এই আগ্রহকে উৎসাহিত করত এবং তাকে নৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে বিকাশের সুযোগ দিত।
পিতামাতা ও বড়রা তাকে সহানুভূতি, মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং দায়িত্বশীলতার শিক্ষা দিয়েছিলেন, যা তার
চিন্তাভাবনা ও আচরণে গভীর প্রভাব ফেলে। শিশুকাল থেকেই শরীফের মধ্যে অন্যের সমস্যা বোঝার ক্ষমতা ও
সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বিকাশ লাভ করে। এই মানসিক ও নৈতিক ভিত্তি পরবর্তীতে তার রাজনৈতিক ও সামাজিক
কর্মকাণ্ডে দৃঢ় নেতৃত্ব প্রদর্শনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও তাদের
সমস্যার প্রতি সংবেদনশীল হওয়া তার স্বাভাবিক চরিত্রের অংশ হিসেবে গড়ে ওঠে।
শরীফ ওসমান বিন হাদির শিক্ষা জীবন
শিক্ষা জীবনে চিন্তা ও ছাত্রজীবনে সচেতনতা
শরীফ ওসমান বিন হাদির শিক্ষা জীবন কেবল পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান অর্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি
নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানুষের জীবনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে শুরু
করেন। ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমসাময়িক বিষয়সমূহ তার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ তাকে চিন্তার পরিধি বিস্তৃত করতে সাহায্য করে এবং তিনি বুঝতে পারেন যে সামাজিক
পরিবর্তন আনতে হলে সচেতন, দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়া কতটা জরুরি।
ছাত্রজীবনে শরীফ নিজেকে কেবল একজন পাঠক বা শিখার্থী হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা সভা,
বিতর্ক ও মতবিনিময় সভায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতেন, যা তার বিশ্লেষণ ক্ষমতা, যুক্তি উপস্থাপন এবং
জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার দক্ষতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এই অভিজ্ঞতা তাকে সমাজ ও রাজনীতির জটিল
সমস্যাগুলো বুঝতে ও সমাধান ভাবতে প্রেরণা দেয়। এছাড়া সহপাঠী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তার
নেতৃত্বের স্বভাব বিকশিত হয় এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সহানুভূতির মানসিকতা আরও দৃঢ় হয়।
শিক্ষা জীবন এবং ছাত্রজীবনের এই সংমিশ্রণই তাকে পরবর্তীতে সামাজিক আন্দোলন, নেতৃত্ব এবং নৈতিকভাবে
সচেতন চিন্তাধারার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

ইনকিলাব মঞ্চে শরীফ ওসমান বিন হাদির যুক্ত হওয়া
সময় যত বাড়ে, শরীফ ওসমান বিন হাদি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে আরও সচেতন হয়ে ওঠেন এবং
একইমতাবলম্বী তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হন। এই প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফলস্বরূপ তিনি “ইনকিলাব মঞ্চ” নামের একটি
প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় হন, যা তরুণদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি ও সমাজে ন্যায় ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য
কাজ করে। এই মঞ্চের মাধ্যমে তিনি সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, সাধারণ মানুষের অধিকার, শিক্ষা ও শ্রম সংক্রান্ত
সমস্যা এবং ন্যায়পরায়ণ রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরতে শুরু করেন। তরুণ নেতৃত্বের এ কর্মকাণ্ড তাকে শুধুমাত্র
সামাজিক পরিবর্তনের একজন স্বতঃসিদ্ধ নেতার পরিচয় দেয়নি, বরং তার যুক্তি ও বক্তব্য প্রকাশের ক্ষমতাকেও দৃঢ়
করেছে।
ইনকিলাব মঞ্চে নেতৃত্বের ভূমিকা
ইনকিলাব মঞ্চে শরীফ ওসমান বিন হাদি ধীরে ধীরে একজন বক্তা ও সংগঠক হিসেবে পরিচিতি পান। তার বক্তব্যে আবেগের পাশাপাশি যুক্তি ও বাস্তবতার প্রতিফলন থাকায় তরুণদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকে।
শরীফ ওসমান বিন হাদির চিন্তাভাবনা ও দর্শন
শরীফ ওসমান বিন হাদির চিন্তাধারার মূল ভিত্তি হলো ন্যায়, স্বচ্ছতা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা।
তার বিশ্বাস, নেতৃত্ব কেবল ক্ষমতা বা পদাধিকার অর্জনের নাম নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সমস্যা
বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রকৃত নেতৃত্ব প্রদর্শিত হয়। তিনি মনে করেন, একটি সুস্থ ও
ন্যায়পরায়ণ সমাজ গড়তে হলে নেতা ও নাগরিক উভয়কেই সততা, সংবেদনশীলতা এবং ন্যায়পরায়ণতার পথে
চলতে হবে। এই মূলনীতি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ এবং ব্যক্তিগত জীবন-সব ক্ষেত্রেই
স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
তরুণ প্রজন্মের প্রতি বার্তা
শরীফ ওসমান বিন হাদির বক্তব্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রায়শই লক্ষ্য করা যায় তরুণ সমাজকে সচেতন হওয়ার
প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া। তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণদের শক্তি ও উদ্দীপনা সমাজ পরিবর্তনের মূল
চালিকা শক্তি হতে পারে, যদি তারা সঠিক জ্ঞান, ন্যায়বোধ এবং দায়িত্ববোধের সঙ্গে নিজেদের ক্ষমতা কাজে লাগায়।
তাই তিনি নিয়মিত তরুণদের উৎসাহিত করেন নিজেদের শিক্ষা, মননশীলতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে
সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা নিতে। তার এই আহ্বান শুধু রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ
নয়; বরং এটি শিক্ষার, সামাজিক কাজের এবং নৈতিক নেতৃত্বের সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যা তরুণদের মধ্যে
সচেতনতা, নেতৃত্বগুণ এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের মানসিকতা গড়ে তোলে।
বর্তমান সময় ও শরীফ ওসমান বিন হাদি
বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি একজন উল্লেখযোগ্য ও আলোচিত সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে
পরিচিত। ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে তিনি নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক
ইস্যুতে মতামত প্রকাশ করছেন, তরুণ সমাজকে সচেতন করতে এবং ন্যায়ভিত্তিক পরিবর্তনের আহ্বান জানাচ্ছেন।
তার জীবনকাহিনী এখনও চলমান; প্রতিটি অভিজ্ঞতা, সমালোচনা এবং দায়িত্ব তাকে আরও দৃঢ় ও প্রভাবশালী করে
তুলছে। রাজনৈতিক সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে তার প্রতিটি পদক্ষেপই প্রকাশ
করে তার নেতৃত্বের মানসিকতা ও সমাজ পরিবর্তনের জন্য অব্যাহত সংকল্প। এই চলমান যাত্রা তাকে শুধুমাত্র
একজন সামাজিক নেতা হিসেবে নয়, বরং তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করছে।

- Dr. Yunus Life Story – ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জীবন কাহিনী
- বিস্তারিতঃ এখানে অথবা ছবিতে ক্লিক কর
পাঠকের প্রশ্ন-উত্তর পর্ব (বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি)
| পাঠকের প্রশ্ন | উত্তর |
|---|---|
| ১. বর্তমান সময়ে শরীফ ওসমান বিন হাদি কীভাবে সক্রিয়? | তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে নিয়মিত মতামত প্রকাশ করছেন এবং তরুণদের সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগে অংশগ্রহণ করছেন। |
| ২. ইনকিলাব মঞ্চে তার ভূমিকা কী? | শরীফ মঞ্চে তরুণ সমাজকে শিক্ষিত ও সচেতন করার পাশাপাশি সমাজের অসঙ্গতি ও ন্যায়পরায়ণ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য নেতৃত্ব প্রদান করেন। |
| ৩. তার নেতৃত্বের মূল দিকগুলো কী? | ন্যায়, স্বচ্ছতা, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং দায়িত্বশীলতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া তার নেতৃত্বের মূল ভিত্তি। |
| ৪. তিনি কেন তরুণ সমাজকে গুরুত্ব দেন? | তিনি বিশ্বাস করেন তরুণরা দেশের ভবিষ্যৎ, তাদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ সমাজে পরিবর্তন আনার মূল শক্তি। |
| ৫. তার জীবনকাহিনী আমাদের কী শিক্ষা দেয়? | এটি শেখায় যে নেতৃত্ব হঠাৎ তৈরি হয় না; শৈশবের শিক্ষা, ছাত্রজীবনের সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে একজন মানুষ আন্দোলনের নেতৃত্বে পৌঁছাতে পারে। |
| ১. বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি কোথায় সক্রিয়? | তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। |
| ২. ইনকিলাব মঞ্চ কী ধরনের প্ল্যাটফর্ম? | এটি একটি সামাজিক–রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তরুণদের সচেতনতা ও ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। |
| ৩. ইনকিলাব মঞ্চে শরীফ ওসমান বিন হাদির ভূমিকা কী? | তিনি একজন সক্রিয় সংগঠক ও মতামতদাতা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। |
| ৪. তার নেতৃত্বের মূল দর্শন কী? | ন্যায়, স্বচ্ছতা, মানবিকতা ও সাধারণ মানুষের অধিকার। |
| ৫. বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি কী নিয়ে কথা বলেন? | সামাজিক অসঙ্গতি, তরুণদের অধিকার, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ন্যায়ভিত্তিক পরিবর্তন নিয়ে। |
| ৬. তিনি কেন তরুণ সমাজকে গুরুত্ব দেন? | কারণ তিনি বিশ্বাস করেন তরুণরাই ভবিষ্যৎ সমাজ ও রাষ্ট্রের মূল চালিকা শক্তি। |
| ৭. তার বক্তব্যের প্রধান লক্ষ্য কী? | তরুণদের সচেতন করা এবং সমাজে দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরি করা। |
| ৮. তার কর্মকাণ্ড কি রাজনৈতিক না সামাজিক? | তার কর্মকাণ্ড মূলত সামাজিক সচেতনতা ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক চিন্তার সমন্বয়। |
| ৯. শরীফ ওসমান বিন হাদি কীভাবে পরিচিতি পান? | ইনকিলাব মঞ্চের কার্যক্রম ও তার স্পষ্ট বক্তব্যের মাধ্যমে। |
| ১০. তার নেতৃত্বের বিশেষ দিক কী? | মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বাস্তব সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া। |
বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি
| ১১. তিনি কি নিয়মিত মতামত প্রকাশ করেন? | হ্যাঁ, বিভিন্ন ইস্যুতে নিয়মিত বক্তব্য ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেন। |
| ১২. তার চিন্তাধারার মূল ভিত্তি কী? | ন্যায়পরায়ণতা, স্বচ্ছ রাষ্ট্রব্যবস্থা ও মানবিক মূল্যবোধ। |
| ১৩. বর্তমানে তিনি কী ধরনের সমালোচনার মুখোমুখি হন? | সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে গঠনমূলক সমালোচনার সম্মুখীন হন। |
| ১৪. সমালোচনার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি কী? | তিনি সমালোচনাকে শেখার ও নিজেকে উন্নত করার সুযোগ হিসেবে দেখেন। |
| ১৫. তার জীবনকাহিনী কেন আলোচিত? | কারণ এটি একজন সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা সচেতন নেতৃত্বের গল্প। |
| ১৬. তার শৈশবের শিক্ষা কি এখনো প্রভাব ফেলে? | হ্যাঁ, শৈশবের নৈতিক শিক্ষা তার চিন্তা ও সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়। |
| ১৭. ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা কি তার নেতৃত্বে কাজে লেগেছে? | অবশ্যই, বিতর্ক ও সচেতনতার অভিজ্ঞতা তাকে দৃঢ় করেছে। |
| ১৮. তিনি নেতৃত্বকে কীভাবে ব্যাখ্যা করেন? | নেতৃত্ব মানে ক্ষমতা নয়, বরং দায়িত্ব ও মানুষের পাশে থাকা। |
| ১৯. তার কর্মকাণ্ড তরুণদের কী শেখায়? | সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো। |
| ২০. ইনকিলাব মঞ্চের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য কী? | তরুণদের সংগঠিত করে ন্যায়ভিত্তিক সামাজিক পরিবর্তন আনা। |
বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি
| ২১. বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদি কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন? | আলোচনা, সচেতনতা কর্মসূচি ও সামাজিক আন্দোলনমূলক কার্যক্রম। |
| ২২. তিনি কি শুধুই রাজনৈতিক নেতা? | না, তিনি একজন সামাজিক সচেতন সংগঠক ও চিন্তাবিদ হিসেবেও পরিচিত। |
| ২৩. তার বক্তব্য সাধারণ মানুষের কাছে কেন গ্রহণযোগ্য? | কারণ তিনি সাধারণ মানুষের বাস্তব সমস্যাকে গুরুত্ব দেন। |
| ২৪. তার নেতৃত্বে মানবিক দিকটি কীভাবে প্রকাশ পায়? | সহানুভূতি, দায়িত্ববোধ ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থানের মাধ্যমে। |
| ২৫. তিনি কী ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা বলেন? | ন্যায়ভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জনগণের অধিকার নিশ্চিতকারী রাষ্ট্রব্যবস্থা। |
| ২৬. তার রাজনৈতিক অবস্থান কেমন? | তিনি ন্যায় ও জনস্বার্থকেন্দ্রিক অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেন। |
| ২৭. বর্তমানে শরীফ ওসমান বিন হাদির জনপ্রিয়তা কেন বাড়ছে? | তার স্পষ্ট বক্তব্য ও তরুণবান্ধব চিন্তাধারার কারণে। |
| ২৮. তার জীবনকাহিনী তরুণদের জন্য কী বার্তা দেয়? | সচেতন হলে ও দায়িত্ব নিলে নেতৃত্বে পৌঁছানো সম্ভব। |
| ২৯. তিনি ভবিষ্যতে কী ভূমিকা রাখতে পারেন? | একজন প্রভাবশালী সামাজিক–রাজনৈতিক নেতা হিসেবে। |
| ৩০. শরীফ ওসমান বিন হাদির পথচলার মূল শিক্ষা কী? | নেতৃত্ব ধৈর্য, শিক্ষা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে গড়ে ওঠে। |
উপসংহার
শরীফ ওসমান বিন হাদির জীবন কাহিনী আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়-নেতৃত্ব হঠাৎ করে আসে না, বরং
তা গড়ে ওঠে দীর্ঘকালীন শিক্ষা, অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক সংবেদনশীলতার সমন্বয়ে। তার শৈশবকাল থেকে যে
নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা তিনি লাভ করেছিলেন, ছাত্রজীবনে যে সচেতনতা এবং যুক্তিবোধ তিনি অর্জন
করেছিলেন, এবং সমাজের প্রতি যে দায়বদ্ধতা ও সহানুভূতি তিনি প্রতিফলিত করতেন, এগুলিই মিলিত হয়ে তাকে
একজন দৃঢ় ও প্রভাবশালী নেতার অবস্থানে নিয়ে আসে। ইনকিলাব মঞ্চের মাধ্যমে তার সক্রিয় পথচলা, তরুণ
সমাজকে সচেতন করা এবং সমাজের অসঙ্গতি দূর করার জন্য যে কর্মকাণ্ড তিনি চালাচ্ছেন, তা এই বাস্তবতার
সরাসরি প্রতিফলন। তার জীবন দেখায়, সত্যিকারের নেতৃত্ব মানে কেবল ক্ষমতা নয়-এটি হচ্ছে দীর্ঘকালীন
অধ্যবসায়, নৈতিকতা এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত মনোভাবের সমন্বয়।
সম্পাদক
মোঃ নাইয়ার আযম,সহকারী অধ্যাপক(পদার্থবিজ্ঞান),মজিদা খাতুন মহিলা কলেজ, রংপুর।

নাইয়ার আযম একজন নিবেদিতপ্রাণ পদার্থবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক। তিনি মজিদা খাতুন মহিলা কলেজ,রংপুর এ কর্মরত আছেন এবং Studentbarta.com-ওয়েব সাইডের সম্পাদক। তিনি শিক্ষা ও অনলাইন শিক্ষার প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী এবং নিয়মিতভাবে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করার মতো চিন্তাশীল লেখা প্রকাশ করেন। তার শিক্ষা জীবন শুরু হয় ক্যান্ট পাবলিক স্কুল থেকে এবং পরবর্তীতে তিনি কারমাইকেল কলেজ, রংপুর-এ উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। বর্তমানে রংপুর সিটি-তে বসবাসরত নাইয়ার আযম সবসময় শিক্ষা, অনলাইন লার্নিং এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে আগ্রহী। পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞানকে সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপন এবং আধুনিক শিক্ষার সুযোগ প্রসারে তিনি বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।